জার্মান সরকার ফেলতে চেয়েছিল পাঁচ ‘দেশদ্রোহী’


অতিদক্ষিণপন্থি এই পাঁচ জার্মান জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অপহরণ করার ছক কষেছিল বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। তারা জার্মান সরকার ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। সোমবার জার্মানির সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলা দায়ের হয়েছে।

এই পাঁচ ব্যক্তিই অতিদক্ষিণপন্থি নিও নাৎসি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে। রাইখবুর্গার সিনের মতো উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য, দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। সেই মতোই প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারা।

কী ছিল পরিকল্পনা

পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তিরা ঠিক করেছিলেন, গোটা দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে একসঙ্গে হামলা চালানো হবে। দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট হলে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হবে। প্রয়োজনে দেহরক্ষীদের মেরে অপহরণ করা হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে। তাকে পণবন্দি করে ফেলে দেওয়া হবে জার্মান সরকার। 

এরপর দেশের সংবিধান পরিবর্তন করে জার্মান সাম্রাজ্যের মতো একটি এককেন্দ্রীক সরকার গঠন করা হবে। এই গোটা পরিকল্পনার জন্য তারা আলাদা আলাদা দল তৈরি করছিল। গঠন করা হচ্ছিল সমান্তরাল সেনা। যারা গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করবে।



যে পাঁচজনকে দেশদ্রোহের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে চারজন আটক হয়েছিল গত বছর এপ্রিল মাসে। এক নারীকে আটক করা হয় গত বছর অক্টোবর মাসে। ওই নারী রিংলিডারের কাজ করছিলেন বলে অভিযোগ। তাদের কাছ থেকেই প্রশাসন পুরো পরিকল্পনাটির কথা জানতে পেরেছেন বলেসরকারি সূত্র জানিয়েছে। এই ব্যক্তিরা যে গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেগুলিরও খোঁজ চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

প্রশাসনের বক্তব্য, অতিদক্ষিণপন্থি এই গোষ্ঠীগুলি বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী গণতান্ত্রিক জার্মান প্রশাসনকে মানে না। তারা ফের রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চায়।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *